ঢাকার সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি: ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড

ঢাকায় ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানির অভাব নেই। কেউ শুধু নকশা করে। কেউ আবার নকশার সঙ্গে ফার্নিচার, সাজসজ্জা ও পুরো কাজ বাস্তবায়ন করে দেয়। এ কারণেই ঢাকার সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি খোঁজার সময় শুধু কয়েকটি সুন্দর ছবি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। প্রতিষ্ঠানটির বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা, নকশা থেকে বাস্তবায়নের সক্ষমতা, কাস্টম ফার্নিচার তৈরির ব্যবস্থা এবং কাজের পরের সহায়তাও দেখা দরকার।

বাসা, অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস, রেস্টুরেন্ট বা অন্য কোনো বাণিজ্যিক জায়গার কাজ হলে শুরুতেই দেখতে হবে প্রতিষ্ঠানটি আপনার কাজের ধরন বোঝে কি না। তাদের নিজস্ব কাজের অভিজ্ঞতা কেমন, ফার্নিচার কোথায় তৈরি হয়, উপকরণের মান ঠিক আছে কিনা এবং কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব কার কাছে থাকে—এসবও গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকার সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি: ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড

ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশে ফার্নিচার ও ইন্টেরিয়র নিয়ে কাজ করছে। আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস, বাণিজ্যিক জায়গা এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক প্রকল্পে আমাদের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ইন্টেরিয়র কোটেশন নিন

ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি বাছাইয়ের আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করবেন

এটাই আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি প্রতিষ্ঠান আপনার প্রকল্পের জন্য কতটা উপযুক্ত—সেটা আগে দেখা দরকার। একই ধরনের পূর্ববর্তী কাজ দেখুন: অ্যাপার্টমেন্ট করাতে চাইলে অ্যাপার্টমেন্টের কাজ দেখুন। অফিস হলে অফিস। শুধু সুন্দর থ্রিডি ছবি নয়, ডিজাইন শেষ করা হয়েছে এমন প্রকল্পের ছবিও দেখুন। সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি বাছাই করার ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে:

  • ডিজাইনের পাশাপাশি বাস্তবায়ন সক্ষমতা যাচাই করুন: ডিজাইন/নকশা ভালো হলেও বাস্তব কাজ ঠিকমতো না হলে ফল ভালো হয় না। কাঠমিস্ত্রি, বৈদ্যুতিক কাজ, সিলিং, রং, ফার্নিচার ও স্থাপন—কারা করবে এবং কে এগুলো তদারক করবে, আগে জেনে নিন।
  • সাইট পরিদর্শন করান: শুধু ফ্লোর প্ল্যান দেখে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বাস্তব সাইটে বিম, কলাম, দরজা, জানালা, বৈদ্যুতিক পয়েন্ট এবং অন্যান্য বিষয় দেখতে হয়। তাই চূড়ান্ত পরিকল্পনার আগে সাইট দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • নিজেদের ফার্নিচার তৈরির সক্ষমতা আছে কি না দেখুন: ইন্টেরিয়রের বড় অংশ ফার্নিচার। তৃতীয় পক্ষের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করলে কখনো কখনো মাপ, ফিনিশ বা সময় নিয়ে সমস্যা হতে পারে। নিজস্ব ফার্নিচার তৈরির সক্ষমতা থাকলে এসব বিষয় সরাসরি সমন্বয় করা তুলনামূলক সহজ হয়।
  • ফার্নিচার কোথায় তৈরি হয় জিজ্ঞেস করুন: প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা থাকলে নকশা অনুযায়ী মাপ, ফিনিশ এবং একাধিক ফার্নিচারের মধ্যে একই ধরনের কাজ ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হয়।
  • লিখিত কাজের বিবরণ নিন: শুধু দাম কম বা বেশি শুনে কাজ শুরু করবেন না। কোন উপকরণ, কোন ধরনের হার্ডওয়্যার, কী কী কাজ থাকবে, কোন কাজ থাকবে না—পরিষ্কার লিখিত বিবরণ নিন।
  • সময়সীমা এবং কাজের ধাপ বুঝে নিন: নকশা অনুমোদন, উপকরণ নির্বাচন, উৎপাদন, সাইটের কাজ, ফার্নিচার স্থাপন এবং শেষ হস্তান্তর—প্রতিটি ধাপের একটি বাস্তব সময়সূচি থাকা ভালো।

ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড এর ইন্টেরিয়র ডিজাইন ও কাস্টম ফার্নিচার সেবা

ঢাকায় অনেক ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রতিষ্ঠান কাজ করছে, তবে সবার কাজের ধরন, অভিজ্ঞতা ও সেবা এক নয়। ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড ঢাকার সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি। বাংলাদেশে আমরা দীর্ঘদিন ধরে ফার্নিচার ও ইন্টেরিয়র-ভিত্তিক কাজ করে আসছি। আমরা ইন্টেরিয়র নকশা এবং কাস্টম ফার্নিচারকে আলাদা দুটি কাজ হিসেবে না দেখে একই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে করে থাকি।

বাসা, অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক জায়গার জন্য স্পেস প্ল্যান, ইন্টেরিয়র কাজ, কাস্টম ফার্নিচার তৈরি, সরবরাহ ও স্থাপনের কাজ করে। ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড এর প্রধান ইন্টেরিয়র সেবা-

বাসা ও ফ্ল্যাটের জন্য রেসিডেনশিয়াল ইন্টেরিয়র ডিজাইন

নতুন ফ্ল্যাট বা পুরোনো বাসা—আবাসিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন ক্ষেত্রে ঘরের ব্যবহার বুঝে পরিকল্পনা করা জরুরি। আমরা বসার ঘর, শোবার ঘর, খাবার ঘর, রান্নাঘর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জায়গার জন্য ইন্টেরিয়র সমাধান দিয়ে থাকি। ফার্নিচারের অবস্থানও শুরু থেকেই পরিকল্পনায় রাখা হয়। এতে বড় ওয়ার্ডরোব বসিয়ে ঘর ছোট হয়ে যাওয়া বা দরজা খুলতে সমস্যা হওয়ার মতো বিষয় আগে থেকেই কমানো যায়।

ঢাকার অ্যাপার্টমেন্টে জায়গা অনুযায়ী ইন্টেরিয়র ডিজাইন

ঢাকার অ্যাপার্টমেন্টে ইন্টেরিয়র ডিজাইন জায়গার সঠিক ব্যবহার বড় বিষয়। একটি ১,২০০ বর্গফুট অ্যাপার্টমেন্ট এবং ২,৫০০ বর্গফুট অ্যাপার্টমেন্টের পরিকল্পনা এক হবে না। পরিবারের সদস্যসংখ্যা, স্টোরেজের প্রয়োজন, ফার্নিচারের ধরন এবং দৈনন্দিন ব্যবহার বুঝে নকশা করতে হয়। আমরা অ্যাপার্টমেন্টের জন্য প্রয়োজনমতো কাস্টম বেড, ওয়ার্ডরোব, টিভি ইউনিট, ডাইনিং ফার্নিচার এবং স্টোরেজ তৈরি করতে পারি।

কমার্শিয়াল ইন্টেরিয়র ডিজাইন

কমার্শিয়াল ইন্টেরিয়র ডিজাইনে জায়গার ব্যবহার সাধারণ ডিজাইন থেকে আলাদা। প্রতিদিন কতজন মানুষ আসবে, কোথায় অপেক্ষা করবে, কর্মীরা কোথায় কাজ করবে এবং প্রয়োজনীয় পণ্য বা কাগজপত্র কোথায় থাকবে—এসব পরিকল্পনা করতে হয়। শোরুম, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অফিস, সেবাকেন্দ্র ও অন্যান্য বাণিজ্যিক জায়গার জন্য আমরা প্রয়োজনভিত্তিক ইন্টেরিয়র ও ফার্নিচার সমাধান দিয়ে থাকি।

কমার্শিয়াল ইন্টেরিয়র ডিজাইন

অফিস ইন্টেরিয়র ডিজাইন

অফিসের নকশায় শুধু সাজসজ্জা নয়, কাজের পরিবেশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কতজন কর্মী বসবেন, কতটি বিভাগ থাকবে, মিটিং রুম লাগবে কি না, পরিচালকের রুম কোথায় হবে—এসব আগে ঠিক করতে হয়। আমাদের অফিস ইন্টেরিয়র ও ফার্নিচার সেবার মধ্যে রয়েছে:

  • কর্মীদের ওয়ার্কস্টেশন
  • এক্সিকিউটিভ টেবিল
  • পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর টেবিল
  • অফিস চেয়ার
  • মিটিং ও কনফারেন্স টেবিল
  • রিসিপশন/অভ্যর্থনা ডেস্ক
  • ড্রয়ার ইউনিট
  • ফাইল ক্যাবিনেট
  • অফিস আলমারি
  • অফিস সোফা
নোট: প্রয়োজন অনুযায়ী একই প্রকল্পে নকশা, কাস্টম ফার্নিচার, সরবরাহ ও স্থাপন করা যায়।

রেস্টুরেন্ট ইন্টেরিয়র ডিজাইন

রেস্টুরেন্টে শুধু সুন্দর পরিবেশ বানালেই কাজ শেষ নয়। টেবিলের মাঝখানে পর্যাপ্ত জায়গা থাকতে হয়। কর্মীদের চলাচলের পথ রাখতে হয়। কাউন্টার এবং বসার জায়গার অবস্থানও ঠিক হতে হয়। ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড প্রয়োজন অনুযায়ী রেস্টুরেন্টের টেবিল, চেয়ার, বেঞ্চ, কাউন্টার এবং অন্যান্য কাস্টম ফার্নিচার তৈরি করতে পারে।

ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড নিজস্ব কারখানায় ইন্টেরিয়র অনুযায়ী কাস্টম ফার্নিচার তৈরি করে

ইন্টেরিয়র ডিজাইনের বড় একটি অংশ হলো ফার্নিচার। জায়গার মাপ ঠিক না হলে সুন্দর ডিজাইনও বাস্তবে ঠিকমতো কাজ করে না। আমাদের বড় সুবিধাগুলোর একটি হলো, প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টম ফার্নিচার তৈরির জন্য নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা রয়েছে। আমাদের ফার্নিচার কারখানা কামালাপুর, বিরুলিয়া, সাভারে, আর হেড অফিস মহাখালী ডিওএইচএসে। বাসা, অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস ও বাণিজ্যিক স্পেসের জন্য আলাদা মাপ, ডিজাইন, স্টোরেজ ও ফিনিশ অনুযায়ী ফার্নিচার তৈরি করা যায়।

ধরুন, বাজারের তৈরি একটি ওয়ার্ডরোব আপনার শোবার ঘরে ঠিকমতো বসছে না। তখন দেয়ালের মাপ, দরজার অবস্থান ও প্রয়োজনীয় স্টোরেজ ধরে কাস্টম ওয়ার্ডরোব তৈরি করা যায়। একইভাবে অফিসে কর্মীর সংখ্যা ও ফ্লোর লে-আউট অনুযায়ী ওয়ার্কস্টেশন, টেবিল বা স্টোরেজ তৈরি করলে জায়গার ব্যবহার অনেক বেশি গোছানো থাকে।

আমরা কী ধরনের কাস্টম ফার্নিচার তৈরি করি?

নিজস্ব কারখানায় কাজ করার সুবিধা হলো—ফার্নিচারের মাপ, ডিজাইন, স্টোরেজ, ফিনিশ এবং রঙ ইন্টেরিয়র প্ল্যানের সঙ্গে মিলিয়ে রাখা সহজ হয়। এতে পরে “ফার্নিচার বসছে না”, “চলাচলের জায়গা কমে গেছে” বা “ডিজাইনের সঙ্গে ফিনিশ মিলছে না”—এ ধরনের সমস্যা কমানো যায়।

ফার্নিচারের ধরন আমরা যেসব কাস্টম ফার্নিচার তৈরি করি কোথায় ব্যবহার হয়
বেডরুম ফার্নিচার বেড, ওয়ার্ডরোব, ড্রেসিং টেবিল, বেডসাইড টেবিল, স্টোরেজ ইউনিট বেডরুম, মাস্টার বেডরুম, গেস্ট রুম
লিভিং রুম ফার্নিচার সোফা, সেন্টার টেবিল, টিভি ইউনিট, শোকেস, সাইড টেবিল ড্রয়িং রুম, লিভিং এরিয়া
ডাইনিং ফার্নিচার ডাইনিং টেবিল, ডাইনিং চেয়ার, ক্রকারি ইউনিট, স্টোরেজ ডাইনিং স্পেস
স্টোরেজ ফার্নিচার ক্যাবিনেট, আলমারি, শেলফ, ড্রয়ার ইউনিট, ওয়াল স্টোরেজ বাসা, অফিস ও কমার্শিয়াল স্পেস
অফিস ওয়ার্কস্টেশন সিঙ্গেল, ডাবল ও মাল্টি-সিট ওয়ার্কস্টেশন কর্পোরেট অফিস, আইটি অফিস, স্টার্টআপ
অফিস টেবিল স্টাফ টেবিল, ম্যানেজার টেবিল, এক্সিকিউটিভ টেবিল, CEO/Director টেবিল অফিস কেবিন ও কর্মক্ষেত্র
মিটিং ও কনফারেন্স ফার্নিচার মিটিং টেবিল, কনফারেন্স টেবিল, চেয়ার মিটিং রুম, বোর্ডরুম
রিসেপশন ফার্নিচার রিসেপশন ডেস্ক, কাউন্টার, ভিজিটর টেবিল, অপেক্ষার ফার্নিচার অফিস, ক্লিনিক, প্রতিষ্ঠান
অফিস স্টোরেজ ফাইল ক্যাবিনেট, ড্রয়ার ইউনিট, অফিস আলমারি, শেলফ অফিস ও প্রাতিষ্ঠানিক স্পেস
অফিস সিটিং অফিস চেয়ার, ভিজিটর চেয়ার, অফিস সোফা ওয়ার্কস্টেশন, রিসেপশন, কেবিন
রেস্টুরেন্ট ফার্নিচার ডাইনিং টেবিল, চেয়ার, বেঞ্চ, কাউন্টার, স্টোরেজ রেস্টুরেন্ট, ক্যাফে, ফুড স্পেস
কমার্শিয়াল ফার্নিচার ডিসপ্লে ইউনিট, কাউন্টার, ক্যাবিনেট, স্টোরেজ, কাস্টম টেবিল শোরুম, সেবাকেন্দ্র, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
কাস্টম বিল্ট-ইন ফার্নিচার ওয়াল ক্যাবিনেট, বিল্ট-ইন স্টোরেজ, কাস্টম শেলভিং ছোট ফ্ল্যাট, অফিস ও সীমিত জায়গা
আপনার কমার্শিয়াল ইন্টেরিয়র প্রকল্প নিয়ে কথা বলুন!

আমাদের ইন্টেরিয়র কাজের প্রক্রিয়া

ভালো ইন্টেরিয়র কাজ শুধু নকশা দিয়ে শুরু বা শেষ হয় না। জায়গার মাপ নেওয়া থেকে কাস্টম ফার্নিচার তৈরি, সাইটের কাজ এবং কাজ শেষে হস্তান্তর—প্রতিটি ধাপ ঠিকভাবে সমন্বয় করতে হয়। ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড-এ আমরা শুরু থেকেই একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করি, যাতে নকশা এবং বাস্তব কাজের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় পার্থক্য কম থাকে।

  1. প্রয়োজন বুঝে নেওয়া: প্রথমে জায়গার ধরন, ব্যবহার, প্রয়োজনীয় ফার্নিচার এবং আপনার পছন্দ নিয়ে আলোচনা করি।
  2. সাইট পরিদর্শন: বাস্তব মাপ এবং সাইটের বর্তমান অবস্থা দেখা হয়।
  3. জায়গার পরিকল্পনা: ফার্নিচারের অবস্থান, চলাচলের পথ, স্টোরেজ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় ঠিক করা হয়।
  4. নকশা ও উপকরণ নির্বাচন: প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজাইন, ফিনিশ এবং উপকরণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  5. কাস্টম ফার্নিচার তৈরি: অনুমোদিত মাপ ও নকশা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফার্নিচার উৎপাদন করা হয়।
  6. সাইটের কাজ ও স্থাপন: নির্ধারিত কাজ শেষ করে ফার্নিচার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় অংশ স্থাপন করা হয়।
  7. শেষ পর্যায়ের পরীক্ষা: কাজের ফিনিশিং, ফিটিং এবং ব্যবহারযোগ্যতা দেখে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়।
  8. প্রকল্প হস্তান্তর: কাজ সম্পন্ন হলে গ্রাহকের কাছে জায়গাটি হস্তান্তর করা হয়।

কেন ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড কে আপনার ইন্টেরিয়র প্রজেক্টের জন্য বেছে নেবেন?

ইন্টেরিয়র ডিজাইন শুধু নকশা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকলে অনেক সময় বাস্তব কাজের সঙ্গে পার্থক্য তৈরি হয়। ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড ২০০৮ সাল থেকে ইন্টেরিয়র ও ফার্নিচার নিয়ে কাজ করছে, আর আমাদের নিজস্ব ফার্নিচার উৎপাদন ব্যবস্থা থাকায় ডিজাইন, প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টম ফার্নিচার তৈরি, সাইটের কাজ এবং ইনস্টলেশন একই পরিকল্পনার মধ্যে রাখা যায়।

ঢাকার ছোট অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বড় অফিস বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রকল্প—জায়গার ব্যবহার, ফার্নিচারের মাপ, স্টোরেজ, চলাচল এবং ফিনিশিং শুরু থেকেই সমন্বয় করে কাজ করি। এতে পরে বড় ওয়ার্ডরোব বসিয়ে ঘর সংকীর্ণ হয়ে যাওয়া, ভুল মাপের সোফায় লিভিং স্পেস ভরে যাওয়া বা অফিসে ওয়ার্কস্টেশন ঠিকমতো না বসার মতো সমস্যা কমানো যায়।

  • ২০০৮ সাল থেকে কাজের অভিজ্ঞতা: দীর্ঘ সময় ধরে আবাসিক, অফিস, কমার্শিয়াল এবং প্রাতিষ্ঠানিক ইন্টেরিয়র ও ফার্নিচার প্রকল্পে কাজ করছি।
  • সাভারে নিজস্ব ফার্নিচার কারখানা: কামালাপুর, বিরুলিয়া, সাভারে নিজস্ব উৎপাদন ব্যবস্থা থাকায় কাস্টম ফার্নিচারের মাপ, ফিনিশ, উপকরণ এবং উৎপাদনের মান কাছ থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
  • ইন্টেরিয়র ও কাস্টম ফার্নিচার একই পরিকল্পনায়: ডিজাইন আলাদা আর ফার্নিচার আলাদা করে না দেখে শুরু থেকেই দুটিকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করি, যাতে জায়গার ব্যবহার ঠিক থাকে।
  • ছোট থেকে বড়—দুই ধরনের প্রকল্পের অভিজ্ঞতা: অ্যাপার্টমেন্ট, অফিস, কর্পোরেট স্পেস এবং বড় প্রাতিষ্ঠানিক কাজ—বিভিন্ন স্কেলের প্রকল্প আমাদের কাজের অংশ।
  • ৩৫০টির বেশি সম্পন্ন প্রকল্প: ইতোমধ্যে ৩৫০টির বেশি প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে।
  • প্রাতিষ্ঠানিক প্রকল্পে কাজের অভিজ্ঞতা: প্রকাশিত কাজের মধ্যে ক্লাব নটরডেমিয়ানসের আটতলা ইন্টেরিয়র, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের বিভিন্ন অংশ এবং এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল টাওয়ারের ইন্টেরিয়র ও কাস্টম ফার্নিচারের কাজ রয়েছে।
  • প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টম ফার্নিচার তৈরি: বেড, ওয়ার্ডরোব, সোফা, ওয়ার্কস্টেশন, অফিস টেবিল, কনফারেন্স টেবিল, ক্যাবিনেট এবং অন্যান্য কাস্টম ফার্নিচার প্রকল্পের মাপ ও ডিজাইন অনুযায়ী তৈরি করা যায়।
  • ডিজাইন থেকে ইনস্টলেশন পর্যন্ত সমন্বিত কাজ: সাইট পরিদর্শন, স্পেস প্ল্যান, ডিজাইন, ফার্নিচার উৎপাদন, সাইটের কাজ, ইনস্টলেশন এবং হস্তান্তর—পুরো প্রক্রিয়াকে একটি ধারাবাহিক -এর মধ্যে রাখা হয়।
বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন: ০১৮৪৭৪২১০৫৮

ঢাকার ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি বাছাইয়ের আগে সেবা, কাজের ধরন, কাস্টম ফার্নিচার, সাইট পরিদর্শন ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে। নিচে ঢাকার ইন্টেরিয়র ডিজাইন সেবা নিয়ে এমন কিছু সাধারণ প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর দেওয়া হলো।

ঢাকার সেরা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কোম্পানি কোনটি?

একটি প্রতিষ্ঠানকে সবার জন্য সেরা বলা কঠিন। আপনার প্রকল্প, বাজেট এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে নকশার পাশাপাশি নিজস্ব ফার্নিচার উৎপাদন, আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্পের অভিজ্ঞতা এবং পূর্ণ বাস্তবায়ন সক্ষমতা চাইলে ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড বিবেচনার শক্তিশালী একটি নাম।

ইন্টেরিয়র কোম্পানি বাছাইয়ের আগে কী কী দেখব?

আগের প্রকল্প, কাজের ধরন, উপকরণের বিবরণ, কাস্টম ফার্নিচারের সক্ষমতা, কাজের সময়সীমা, সাইট তদারকি এবং কাজ-পরবর্তী সহায়তা দেখুন।

ট্রেন্ডি ফার্নিচার লিমিটেড কি অ্যাপার্টমেন্টের পুরো ইন্টেরিয়র করতে পারে?

হ্যাঁ। প্রতিষ্ঠানটি জায়গার পরিকল্পনা, ইন্টেরিয়র ফিনিশিং এবং কাস্টম ফার্নিচারসহ সম্পূর্ণ অ্যাপার্টমেন্ট ইন্টেরিয়র প্রকল্পে কাজ করেছে।

অফিসের ইন্টেরিয়র ও ফার্নিচার একসঙ্গে করা যায়?

হ্যাঁ। অফিসের পরিকল্পনার পাশাপাশি ওয়ার্কস্টেশন, টেবিল, চেয়ার, সভার টেবিল, অভ্যর্থনা ডেস্ক, ক্যাবিনেট ও অন্যান্য কাস্টম ফার্নিচার একই প্রকল্পে করা যায়।

ছোট ফ্ল্যাটের জন্য কি কাস্টম ফার্নিচার করা যায়?

হ্যাঁ। ছোট ফ্ল্যাটে কাস্টম ফার্নিচার বিশেষভাবে কাজে আসে। জায়গার মাপ অনুযায়ী বেড, ওয়ার্ডরোব, টিভি ইউনিট বা স্টোরেজ তৈরি করলে অপ্রয়োজনীয় জায়গা নষ্ট কম হয়।

ইন্টেরিয়র কাজের আগে থ্রিডি নকশা করা প্রয়োজন কি?

বড় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এটি বেশ কাজে দেয়। কাজ শুরুর আগেই ঘরের বিন্যাস, রং, ফার্নিচারের অবস্থান এবং সামগ্রিক চেহারা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

নিজস্ব ফার্নিচার কারখানা থাকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

এতে মাপ, নকশা, উপকরণ, ফিনিশিং এবং উৎপাদনের মান সরাসরি দেখার সুযোগ বাড়ে। বড় প্রকল্পে একাধিক ফার্নিচারের নকশা ও ফিনিশ একই রাখাও সহজ হয়।

ইন্টেরিয়র কাজ শুরুর আগে সাইট পরিদর্শন প্রয়োজন কি?

সাধারণত প্রয়োজন হয়। কারণ কাগজের ফ্লোর প্ল্যান এবং বাস্তব সাইটের মধ্যে কিছু পার্থক্য থাকতে পারে। সঠিক মাপ, কলাম, বৈদ্যুতিক পয়েন্ট ও দরজা-জানালার অবস্থান দেখে পরিকল্পনা করলে ভুল কমে।

ইন্টেরিয়র ও কাস্টম ফার্নিচার একই প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ভালো কেন?

দুই কাজ একই পরিকল্পনায় থাকলে ফার্নিচারের মাপ, রং, ফিনিশ এবং ঘরের সামগ্রিক নকশা মিলিয়ে রাখা সহজ হয়। একাধিক সরবরাহকারীর মধ্যে সমন্বয়ের সমস্যাও কমে।

Top